নাটোর সদর উপজেলায় পৃথক দু’টি ঘটনায় দু’জন ব্যাক্তির লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এর মধ্যে উপজেলার তেবাড়িয়া ইউনিয়নের জংলি এলাকায় পুকুর থেকে কমল কুমার দাস (৩৯) নামে এক রিকশাচালকের লাশ উদ্ধার করা হয়। এছাড়া ছাতনী ইউনিয়নের রায় আমহাটি এলাকায় নিজ বাড়ির সামনে থেকে মোতালেব হোসেন (৬৮) নামে এক বৃদ্ধের গলা কাটা লাশ উদ্ধার করা হয়।

নিহত কমল কুমার দাস তেবাড়িয়া ইউনিয়নের লেংগুরিয়া মধ্যপাড়া মহল্লার পরলোকগত হীরালাল দাসের ছেলে এবং পেশায় একজন রিকশাচালক। এছাড়া নিহত মোতালেব হোসেন আমহাটি এলাকার ইদ্রিস আলী খানের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার (২৭ জুন) সন্ধ্যায় কমল কুমার দাস রিকশা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর বাড়ি ফেরেননি। রাতে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুজি করেও তার কোনো সন্ধান পায়নি স্বজনরা। রোববার (২৯ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তেবাড়িয়া ইউনিয়নের জংলী ঈদগাঁহ মাঠ সংলগ্ন একটি পুকুরে কমল দাসের লাশ ভাসতে থাকে। পরে থানায় খবর দিলে পুলিশ এসে কমল কুমারের লাশ উদ্ধার করে। নিহত কমল দাসের ভাই অমল কুমার দাস জানান, কমল মাঝে মধ্যে মদ সেবন করতো। গত রাতে মদ সেবনের পরিমাণ মনে হয় একটু বেশি হয়েছিল। পরে একা বাড়িতে ফেরার সময় ঈদগাঁহ মাঠের পাশের পুকুরে পড়ে গিয়ে উঠতে না পেরে মারা গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

অপরদিকে শনিবার রাত ১০টার দিকে সদর উপজেলার ছাতনী ইউনিয়নের রায় আমহাটি গ্রামে মোতালেব হোসেন (৬৭) নামে এক বৃদ্ধের গলা কাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতের ছোট ছেলে চুন্নু আলম জানান, তার বাবা মোতালেব হোসেন নিজেই নিজের গলা ধারালো ছুরি দিয়ে কেটে আত্মহত্যা করেছেন। তিনি কেন এমন ঘটনা ঘটালো যা দেখে আমরা হতবম্ব হয়ে যাচ্ছি।

নাটোর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মনসুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ দু’টি উদ্ধার করেছে। পরে লাশ ময়না তদন্তের জন্য নাটোর আধুনিক জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।