সাপ ধরা, সাপে কামড়ের রুগীর চিকিৎসাসহ বিভিন্ন রোগের কবিরাজী করেন ইমরান সাপুড়ে। মাঠে ঘাটে বিভিন্ন স্থানের সাপ ধরে তিনি ভাইরাল হন। সেই সাপুড়ে নিজেই সাপের কামড়ের শিকার হয়েছেন। মানুষকে চিকিৎসা দেন অথচ নিজেকে রক্ষা করতে পারলেন না। সাপের কামড়ে আক্রান্ত হয়ে তিনি নিজেকে বাঁচাতে ভর্তি হয়েছেন কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে। মৃত্যুশয্যায় তিনি কাতরাচ্ছেন।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) দিবাগত রাত ১০টার দিকে কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা গোলাপনগর বাগগাড়ি পাড়া থেকে সাপ উদ্ধার করতে গিয়ে সাপের কামড়ে আক্রান্ত হন ইমরান সাপুড়িয়া। এরপরই রাতেই তাকে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছে।

উল্লেখ্য যে, গ্রামাঞ্চলে সাপে কাটলে গ্রাম্য মানুষ চিকিৎসার জন্য সাপুড়ের কাছে যায়। সেখানে সঠিক চিকিৎসা না পেয়ে অনেক রোগী মারা যায়। কুষ্টিয়ার বিভিন্ন এলাকার কবিরাজরা সাপে কাটা রোগীর শতভাগ গ্যারান্টি দিয়ে চিকিৎসার প্রচার করেন। গ্রামের সহজ সরল মানুষ সেই ফাঁদে পা দেন। চিকিৎসার অতিরিক্ত সময় পার হওয়ায় সাপে কাটা রোগী মারা যান। জেলার বিভিন্ন স্থানের কবিরাজরা সাইনবোর্ড টাঙিয়ে সাপা কাটা রোগীর চিকিৎসা দেন। হাতিয়ে নেন রোগীর পরিবার থেকে মোটা অংকের টাকা। তাদের হাতে কতটা রোগী সুস্থ হয়েছেন সেটাই দেখার বিষয়।

ইমরান সাপুড়ে সাপের কামড়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে সেটিই প্রমান করলো, কবিরাজে নয়, সঠিক চিকিৎসা নিতে হাসপাতালে ডাক্তারের শরণাপন্ন হন। সাপে কামড়ের এন্টিভেনম ব্যবহার করুন। ইমরান সাপুড়ে সাপের কামড়ের বিষয়টি এলাকায় ব্যাপক আলোচনা সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।