সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের (২০২৩ সালের সার্কুলার) ৪৬ হাজার প্রার্থীর ফলাফল কোটার পরিবর্তে মেধার ভিত্তিতে পুনরায় প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছেন।

আজ বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই, ২০২৬) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ চূড়ান্ত শুনানি শেষে এ রায় দেন। এই রায়ের মাধ্যমে আদালত ৩টি সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দিয়েছেন:

ফলাফল পুনরায় প্রকাশ: পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ৪৬ হাজার ১৯৯ জন প্রার্থীর ফলাফল আগের কোটা পদ্ধতি বাতিল করে মেধার ভিত্তিতে পুনরায় প্রকাশ করতে হবে।

রিটকারীদের নিয়োগ: সংশ্লিষ্ট মামলার রিটকারী ১৫১ জনকে আগামী ৬০ দিনের মধ্যে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়ার জন্য সরকারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ইতিমধ্যে নিয়োগপ্রাপ্তদের চাকরি বহাল: মামলা চলাকালীন সময়ে যারা কোটা পদ্ধতির অধীনে ইতিমধ্যে চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ হয়ে নিয়োগ পেয়েছিলেন (৬,৫৩১ জন শিক্ষক), ন্যায়বিচারের স্বার্থে তাদের চাকরি বহাল রাখার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

আদালতে রিটকারীদের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম। তিনি জানান, ২০২৩ সালের সার্কুলার অনুযায়ী তৎকালীন বিদ্যমান নিয়মে ৮৪ শতাংশ কোটার ভিত্তিতে এই নিয়োগের প্রাথমিক ফলাফল দেওয়া হয়েছিল, যা পরবর্তীতে জুলাই বিপ্লব ও সুপ্রিম কোর্টের মেধার ভিত্তিতে (৯৩ শতাংশ) নিয়োগের রায়ের পরিপন্থী হওয়ায় হাইকোর্টে রিট করা হয়েছিল।